শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকেই এই মহাসড়কে শেরপুর থেকে জামালপুর হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। তবে বিকল্প সড়ক হিসেবে বলায়েরচরের ভেতর দিয়ে ছোট আকারের কিছু কিছু যানবাহন চলাচল করছে।
গত সোমবার থেকে প্রবল বেগে ব্রহ্মপুত্র ও দশআনী নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ফলে ব্রহ্মপুত্রের তীরবর্তী সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী, চরমোচারিয়া ও কামারেরচর ইউনিয়নের ১৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়। সেই সঙ্গে ভোগাই নদীর ঢলের পানি নিম্নাঞ্চলে নেমে আসায় প্লাবিত হয় উপজেলার গাজীরখামার ইউনিয়নের ৩টি গ্রাম। এসব গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দি। এতে জেলার প্রায় ১০০ হেক্টর আমন বীজতলা ও ২০ হেক্টর জমির সবজি পানিতে তলিয়ে গেছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসএই জিয়াসমিন খাতুন জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার শূন্য দশমিক দুই পাঁচ, চেল্লাখালি নদীর পানি শূন্য দশমিক চার, ভোগাই নদীর পানি দুই দশমিক ছয় আট ও নাকুগাঁও নদীর পানি চার দশমিক এক চার মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন জানান, ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। যা পর্যায়ক্রমে পানিবন্দি এলাকায় বিতরণ করা হবে ।