প্রকৌশলীর বাসা বানাতে দরপত্র ছাড়াই কাটা হলো গাছ  

জামালপুর শহরের বসাক পাড়ায় গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর বাসভবন নির্মাণে ৬০-৭০ টি গাছ কাটা হয়েছে। গাছগুলো কাটার সময় দরপত্র আহ্ববানের নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব গাছের দাম লক্ষাধিক বলে জানা গেছে। গাছগুলো বেহাত হওয়ার শঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

বুধবার (১৭ নভেম্বর) সরজমিনে দেখা যায় বাসভবন বানাতে নির্ধারিত স্থানের বেশিরভাগ গাছ কাটা হয়েছে। কিছু মরা গাছ এখনও দাঁড়িয়ে আছে। সেগুলোও কাটার প্রক্রিয়া চলছে।

এলাকাবাসী জানায়, গাছের আশপাশে বেশ কিছু জলাশয় ছিল। এসব জলাশয় ভরাটের পাশাপাশি গাছের গোড়ায় মোটা আস্তরের বালি ফেলা হয়। এতে হঠাৎ করেই শতাধিক গাছ মারা যাওয়ার পর সেগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। বিষয়টিকে পরিবেশের বিপর্যয় বলে দাবি করেছেন পরিবেশবাদীরা।

জামালপুর পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতা ও মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, গাছগুলো ছিলে শহরের অক্সিজেন সরবরাহের অন্যতম উৎস। এসব গাছ হঠাৎ কেটে ফেলায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। তিনি গাছগুলোর মরার যথাযথ কারণ ও এসব কাজের জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। 

জামালপুরের গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোবারক হোসেন গাছ কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান।