ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়াড়বাঘইল গ্রামে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন গৃহবধূ সালমা। তিনি ঈশ্বরদী ইপিজেডের একটি গার্মেন্ট কারখানার শ্রমিক ছিলেন। চা বিক্রেতা স্বামী সাহাবুল মল্লিক মাদকাসক্ত ছিলেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিমান কুমার দাস জানান, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সালমা বেতনের কিছু টাকা ব্যাংকে জমা করছিলেন। ওই টাকার জন্য স্বামী সাহাবুল তার ওপর চাপ দিতেন। এ নিয়ে রবিবার রাতে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাহাবুল বাড়ির পাশে কাঁঠাল গাছের সঙ্গে ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে সালমার শরীরে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ৮টার দিকে সালমার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় সালমার চাচা আলম বাদী হয়ে স্বামীসহ পাঁচজনকে আসামি করে ঈশ্বরদী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ প্রধান আসামি সালমার স্বামী সাহাবুল মল্লিককে গ্রেফতার করেছে।
আরও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বাড়িতে বোমা হামলা
/বিটি/এফএস/ আপ-এআর/