ঘাতকের স্বীকারোক্তি

পাঁচ হাজার টাকার জন্যে টুকরো লাশ হন আখতারুজ্জামান

পাবনাধার নেওয়া পাঁচ হাজার টাকা দিতে দেরি হচ্ছিল আখতারুজ্জামানের। তাই খোদ চাচাতো ভাইয়ের হাতে খুন হতে হলো তাকে।
পুলিশের কাছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি আখতারুজ্জামান ওরফে সরোজ মোল্লাকে হত্যার পর লাশ কেটে ৯ টুকরো করার বর্ণনা দেন নিহতের ঘাতক ভাই রাহেদুজ্জামান। বুধবার দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার আলমগীর কবির।
২ মে  সোমবার রাত সাড়ে ১১ টায় ঘুমন্ত আখতারুজ্জামান মোল্লাকে প্রথমে পাটার শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতেই মৃত্যু ঘটে তার। এরপর তার লাশ লুকিয়ে রাখতে দা দিয়ে কেটে ৯ টুকরো করা হয়। টুকরো করার পর বস্তায় ভরে বাথরুমের ফলস ছাদের উপর রেখে দেওয়া হয় বলে জানান রাহেদুজ্জামান।  

নিহত আখতারুজ্জামানের পরিচয় মিলেছে। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নান্দিয়া গ্রামের আলতাব হোসেনের ছেলে তিনি। চাকরির সুবাদে পাবনার কৃষ্ণপুর মহল্লার জামিল হোসেনের পাঁচতলা বাড়ির নীচতলায় বাসা ভাড়া করে থাকতেন। পরে চাকরি খুঁজতে এসে তার সঙ্গে থাকতে শুরু করেন রাহেদুজ্জামান।

পুলিশ সুপার আলমগীর কবির জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাবনা শহরের কৃষ্ণপুর মহল্লায় জামিল হোসেনের ভাড়া বাড়ি থেকে আখতারুজ্জামান ওরফে সরোজ মোল্লার ৯ টুকরো মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘাতকের স্বীকারক্তির পর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ঐ বাসা থেকে আখতারুজ্জামানের ৯ টুকরো লাশ উদ্ধার করে।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হাসান জানান, বুধবার বিকেলে হত্যাকারী রাহেদুজ্জামানকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার সকালে নিহত আখতারুজ্জামানের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

নারায়ণঞ্জে পানিতে ডুবে নিহত তিন শিশুনারায়ণগঞ্জে পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু

/এইচকে/আপ-এআর/