বেড়া পৌরসভার মেয়রসহ ৪ কাউন্সিলর জেল হাজতে

পাবনাদুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পাবনার বেড়া পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেনসহ চার কাউন্সিলরের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুল কুদ্দুস এই রায় দেন।
কাউন্সিলরা হলেন,  এনামুল হক শামীম, ইসলাম উদ্দিন,আব্দুস ছামাদ মহালদার,  নার্গিস আকতার ও করমজা নতুন হাটের ইজারাদার মাহবুব হোসেন বাবলু।
পাবনা বিশেষ জজ আদালতের (দুদকের) পিপি আব্দুর রহিম জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগে এই মামলা করা হয়। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর ছোট ভাই বেড়া পৌরসভার মেয়র ও বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ আব্দুল বাতেনসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদক পাবনা অফিসের উপ সহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন ২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট মামলাটি করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, বেড়া পৌর মেয়র আলহাজ আব্দুল বাতেন, পৌরসভার প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক সচিব বর্তমান পঞ্চগড় পৌরসভার সচিব মো. রাশিদুর রহমান, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হবি, আবু দাউদ শেখ, জয়নাল আবেদিন, শামসুল হক খান, এনামুল হক শামিম, আব্দুর রাজ্জাক সরদার, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ মহলদার, শহিদ আলী, নার্গিস আক্তার, মোছা. জাকিয়া খাতুন এবং হাটের ইজারাদার মাহবুব হোসেন বাবলু।

এই নিয়ে মামলার ১২ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন। এখনও কয়েকজন পলাতক রয়েছে। বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেনসহ ১৪ জনের নামে আরও দুটি মামলা করেছে দুদক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট বেড়া থানার সাড়ে ৭৬ লাখ টাকা এবং ২ লাখ ৩ হাজার সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। বেড়া সিঅ্যান্ডবি করমজা নতুন হাটের ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৩১৭ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আসামিরা আত্মসাত করেছেন। এ ছাড়াও অভিযুক্তরা নিয়মনীতি উপেক্ষা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি হাঁটকে বেসরকারি ব্যক্তি মালিকানাধীন দেখিয়ে ১ বছরের স্থলে ১৩ বছর অবৈধভাবে ভোগদখল করেছেন। এর ফলে সরকারের বিপুল রাজস্বের ক্ষতি হয়েছেন। বিধি মোতাবেক তারা সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেননি। একই মামলায় গত ৩ মে মঙ্গলবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম তালুকদারের জামিন নামঞ্জুর হয় (বর্তমানে গঙ্গা ব্যারেজ সমীক্ষা প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী)।

আরও পড়ুন: সিলেটে স্কলার্সহোমের অভিভাবকদের আল্টিমেটাম

/জেবি/টিএন/আপ-এনএস/