নিহতের ছোট ভাই সরোয়ার হোসেন জানান, গত ৪ জুন রাতে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত তার ভাই চেয়ারম্যান এ.কে আজাদকে ঢাকার মহাখালী মেট্রোপলিটন ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মাথায় আড়াই’শ সেলাই দেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার পেট থেকে দুটো গুলি উদ্ধার করে। পরে কিডনির সমস্যা দেখা দিলে তাকে পপুলার হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোর ৬টার দিকে মারা যান। গুলিতে তার কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। হামলার ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় মামলাও করা হয়।
দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ.কে আজাদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়ন পরিষদে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১
/বিটি/