বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ জিআরপি থানার ওসি সাঈদ ইকবাল। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে আসা একটি পাথরবাহী ট্রেন সয়দবাদে আনলোড করে ঘোরানোর সময় ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। এতে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ জনপদের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঈশ্বরদী থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এসে বেলা দেড়টার দিকে ইঞ্জিনটি লাইনে তুললে পৌনে ২টায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগ পাকশীর ডিভিশনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসার মশিউল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পশ্চিমাঞ্চল রেলবিভাগ পাকশীর ডিভিশনাল ম্যানেজার আফজাল হোসেনের নির্দেশে ডিভিশনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসার (ডিটিও) শওকত জামিলের নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। তদন্ত টিমে পাকশী রেল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ আসাদুল ইসলাম ও ডিভিশনাল সিগন্যাল অ্যান্ড ট্রাফিক অফিসার আবু হেনা মোস্তাফা কামালও রয়েছেন।
এদিকে, মালবাহী ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়ায় সেতুর দু’পাশে মৈত্রী, সিল্কসিটি, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস, ধুমকেতু, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, একতাসহ বেশ ক’টি ট্রেন আটকা পড়ে। পাঁচ ঘণ্টা ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে ঢাকার সঙ্গে সিরাজগঞ্জ, ঈশ্বরদী, দিনাজপুর, নিলফামারী, রংপুর, রাজশাহী, যশোর ও খুলনার বিভিন্ন স্টেশনে শত শত যাত্রী বিড়ম্বনায় পড়েন।
আরও পড়ুন:
ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
/বিটি/