আদালত সূত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার বামন খোলা গ্রামের সেলিনা বেগম পাওনা এক লাখ টাকা ফেরত চেয়ে একই গ্রামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে নাটোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের ধার্য্য দিনে বাদী সেলিনা বেগম ও অপর দুই সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে থাকেন। এ সময় বিচারকের সন্দেহ হলে তাদেরকে জেরার একপর্যায়ে সাক্ষীরা নিজেদের মামলার নির্ধারিত সাক্ষী নন বলে স্বীকার করেন। পরে আদালতের বিচারক শামসুল আল আমিন বাদীসহ ওই দুইজনকে কারাদণ্ড দেন।
আরও পড়ুন:
ক্রসফায়ারের মধ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে: মেনন
/বিটি/