পিডিবির সূত্র জানায়, বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডে ১৬টি পানির পাম্প, পৌর ভবন ও সড়ক বাতির মোট ১৫৮টি সংযোগ রয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেন না। প্রায় ১০ বছরে ১৭ কোটি টাকার বেশি বকেয়া পড়েছে। এর মধ্যে শুধু পৌর ভবনের বিল বকেয়া ১৪ লাখ টাকা।
এ ব্যাপারে গত রবিবার বিবিবি-১, বিবিবি-২ ও বিবিবি-৩ বিভাগের আওতাভুক্ত শহরের জলেশ্বরীতলা, শেরপুর রোড, রহমাননগর, নুর মসজিদ লেন, এস চ্যাটার্জি লেন, বকশিবাজার, মালতিনগর, জহরুলনগর, বাদুড়তলা, নামাজগড়, চকসুত্রাপুর, প্রেসপট্টি, ঝাউতলা, বড়গোলা, দত্তবাড়ি, কাটনারপাড়া, করোনেশন স্কুল লেন, হাকিরমোড় ও শিববাটি এলাকার সড়ক বাতি ও পানির পাম্প সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে মাইকিং করা হয়।
এদিকে সামনে ঈদ ও শহর অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দেবে বলে জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিনের মধ্যস্থতায় সোমবার বিকালে পিডিবি মিলনায়তনে যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পৌর মেয়র বিল দিতে রাজি হয়।
এ ব্যাপারে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল হোসেন জানান, পৌর মেয়র মঙ্গলবার সাড়ে সাত লাখ টাকা ও ঈদের পর প্রতিমাসে বকেয়াসহ বিল পরিশোধের আশ্বাস দেন। এর প্রেক্ষিতে সন্ধ্যা থেকে বিচ্ছিন্ন করা ৩৬টি সংযোগ আবার দেওয়া হয়।
সভায় পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান ও কয়েকজন কাউন্সিলর এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল হোসেন, বিবিবি-১ নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বিবিবি-২ নির্বাহী প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন প্রামাণিক, বিবিবি-৩ নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/এআর/