স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবার রাতে খাবার খেতে বসে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয় সেকেন্দারের। এসময় মায়ের পক্ষ নিয়ে ছেলে টুটল বাবাকে মারধর করে খাবার প্লেট কেড়ে নেয়। এরপর বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। পরদিন (বুধবার) সকালে একই গ্রামের বাদশা নামের এক ব্যক্তি মাঠে যাওয়ার সময় সেকেন্দারে বাড়ি থেকে ৫০০ গজ পূর্বে একটি আম গাছে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে তার পরিবার ও পুলিশকে খবর দেন।
তবে সেকেন্দারের ছেলে টুটুল ও স্ত্রী রৌশনারা বেগম মারধর করে খাবার প্লেট কেড়ে নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: দেশের মাটিতে সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না: খুলনার ডিআইজি
/এআর/