বগুড়ার সোনাতলা পৌরসভা নির্বাচন

ক্ষমতাসীনদের হুমকিতে সোনাতলার প্রার্থী ও ভোটাররা আতঙ্কে

news_imgবগুড়ার সোনাতলা পৌরসভা প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ১৫ বছর পর আগামী ৭ আগস্ট প্রায় ১৭ হাজার ভোটার প্রথম ভোট দিয়ে তাদের মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। শনিবার প্রতীক বরাদ্দ হবার পর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তবে ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারার নির্দেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্য দল সমর্থিত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং ভোটারদের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে।
গত ২০০১ সালের ২৬ শে এপ্রিল বগুড়ার সোনাতলা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। সীমানা সংক্রান্ত মামলা থাকায় গত ১৫ বছর নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। গত ২৪ জুন নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করে। আগামী ৭ আগস্ট ভোট অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোনও কেউ প্রত্যাহার করেননি। শনিবার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত শাহিদুল বারী খান রব্বানী, বিএনপি সমর্থিত প্রভাষক এটিএম গোলাম রকিব ও সোনাতলা বনিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম নান্নু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যরা দলীয় প্রতিক পেলেও নান্নু পেয়েছেন, নারিকেল গাছ প্রতীক।

এছাড়া ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৮ জন এবং ৩টি সংরক্ষিত আসনে ১২ জনের মাঝেও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সোনাতলা পৌরসভার কামারপাড়া, চমরগাছা, কানুপুর, গড়চৈতন্যপুর, বিশুরপাড়া এলাকা ভোটারদের সঙ্গে কথা বললে তারা অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা সভা-সমাবেশে ভোটের দিন প্রকাশ্যে তাদের প্রার্থীর ব্যালটে সিল মারার জন্য নির্দেশ দিচ্ছে। এতে অধিকাংশ ভোটার ভয় পোলেও কেউ কেউ বলেছেন, জোড়পূর্বক ভোট নেওবার চেষ্টা করলে প্রতিহত করা হবে।

তবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র ও অন্যান্য প্রার্থীরা ভোটারদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

রিটার্নিং অফিসার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুচ আলী ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলমগীর জানান, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

/জেবি/

 আপ: এইচকে

আরও পড়ুন: