বগুড়ায় যুবলীগ ক্যাডার আকুল হত্যার ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বগুড়া

বগুড়ার শাজাহানপুরের ফুলতলা এলাকায় যুবলীগ ক্যাডার এনামুল হক আকুলকে (২৮) হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলায় ১৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাদিম প্রামাণিককে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৮-৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে তার বাবা আজমল হোসেন শাজাহানপুর থানায় মামলা (নং-২৬) করেন। রাতেই পুলিশ এজাহারে উল্লেখিত রাব্বি নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা, ফুলদীঘি, শাকপালা ও আশপাশের এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ক্ষমতাসীন যুবলীগের মজনু ও শাহীন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলেছিল।

এরইমধ্যে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা শাহীন, মজনু প্রামাণিক, তার বাবা শুকুর আলী, ভাই রঞ্জু প্রামাণিক, ভাতিজা নাহিদ প্রামাণিক, ভাগ্নে শামীম আহম্মেদ বুশ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার একই কায়দায় ফুলতলার চককানপাড়ার আজমল হোসেনের ছেলে শাহিনের বডিগার্ড যুবলীগ ক্যাডার এনামুল হক আকুলকে রাতে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। শুক্রবার দুপুরে নিহত বুশের নির্মাণাধীন পরিত্যক্ত বাড়ির জঙ্গলে আকুলের ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।

কৈগাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আজিজ মণ্ডল জানান, দুর্বৃত্তরা আকুলকে খান্দার এলাকা থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর ওই স্থানে লাশ ফেলে যায়। এজাহারে নিহত যুবলীগ নেতা মজনুর ভাই দুলু প্রামাণিকের ছেলে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলতলা বাজার কমিটির সভাপতি নাদিম প্রামাণিককে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখিত চককানপাড়ার আবদুল জোব্বারের ছেলে রাব্বিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে নিহত মজনু গ্রুপের ক্যাডার ছিল। রবিবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমাণ্ডের আবেদন জানানো হবে। এদিকে আকুল হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

/জেবি/

আরও পড়তে পারেন : আস্তানা পুড়িয়ে সাধুদের চুল কেটে দিলো দুর্বৃত্তরা