অপরদিকে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউনুস আলী ও তার অনুসারীদের দায়ী করছে নিহত মোজাফফরের পরিবারের সদস্যরা। নিহত মোজাফ্ফরের স্ত্রী রাবিয়া বেগম জানান, মোজাফ্ফর হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমান ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুস আলীর বিরোধ চলে আসছিল। গত নির্বাচনে মোজাফ্ফর হেরে যাওয়ায় দু’জনের বিরোধ বড় আকার নেয় এবং ইউনুস আলী বরাবরই মোজাফফরকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে ৮-১০ জনের একদল দুর্বৃত্ত মোজাফ্ফরের ঘরের দরজায় কড়া নাড়ে। মোজাফ্ফর ঘর থেকে বের হওয়ামাত্র তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। মোজাফ্ফরের চিৎকারে তাই ভাই মহসিন ও হাসেন বের হলে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপরও হামলা চালায়। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাসেন আলীর ডান পা এবং মহসিনের ডান হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র চালিয়ে মোজাফফরের মৃত্যু নিশ্চিত করে।
আরও জানা যায়, স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে দুর্বৃত্তরা ২-৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করতে করতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। শুক্রবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুরুতর জখম হওয়া অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে হাসেনের মৃত্যু ঘটে।
ওসি জানান, হত্যাকাণ্ড বিষয়টি তদন্তাধীন।
/এইচকে/