তিনি বলেন, এতে সন্ত্রাসীরা উৎসাহিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সন্ত্রাসীদের আরও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
রবিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে জেলার সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের সাথে সভার সূচনাপর্বে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ের শহীদ শাসসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে অন্য কোনও দলের কমিটি গঠন নিয়ে সমালোচনা করা ঠিক নয় উল্লেখ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে আব্দুস সালাম পিন্টু, বাবরসহ বেশ কয়েকজন চার্জশিটভুক্ত আসামির নাম থাকায় আমি বিস্মিত।
এ সভায় গত দুই দিন সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর এবং সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্নস্থানে বন্যা, ভাঙন ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শেষে বন্যা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বন্যাপরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ বিতরণে সব মহলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেন, প্রতি বছরের মতো এ দুর্যোগকে সামাল দিয়ে দুস্থ, অস্বছল বানভাসী মানুষের পাশে রয়েছে আমাদের সরকার।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এ জেলার ৫টি বন্যা প্লাবিত উপজেলায় ব্যাপক পরিমাণ ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বানভাসী মানুষ পুনর্বাসিত না হওয়া পর্যন্ত এই সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, একদিকে বন্যায় প্লাবিত মানুষেরা যখন দিশেহারা, ঠিক সেই মুহূর্তে খালেদা জিয়া দুর্গত মানুষের পাশে না এসে নানা চাক্রান্ত করে চলেছে। তার এই চক্রান্ত কোনওদিনই বাস্তবায়ন হবে না বাংলার মাটিতে।
সভায় জেলা আইন-শৃঙ্খলার সার্বিক দিক তুলে ধরে আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাস সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান পিপি, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন, দুর্যোগ ব্যস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনিসুর রহমান, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবু ইসূফ সূর্য্য, পৌর মেয়র আব্দুর রউফ মুক্তা, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের পরিবেশ ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদিক ড. জান্নাত আরা হেনরিসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা।
/এবি/