বগুড়ার শহরতলির বারপুর এলাকার সামাজিক প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ম্যানেজার আবদুল মানিক নন্দীগ্রাম উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আবদুল মানিক সোমবার রাত ৮টার দিকে রানা নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে একই এলাকায় এসওএস হারম্যান মেইনার স্কুল ও কলেজের পেছনে ফাঁকা মাঠে গাঁজা সেবন করছিলেন। গোপনে খবর পেয়ে ফুলবাড়ি ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রবিউল ইসলাম সেখানে অভিযান চালান। পরে সেখান থেকে তিনি সরকারি কর্মকর্তা আবদুল মানিক ও তার সঙ্গি রানাকে গ্রেফতার করেন। তাদেরকে তল্লাশি করে গাঁজা পাওয়া যায়।
এসআই রবিউল ইসলাম জানান, তিনি ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সদর থানায় সোপর্দ করেছেন। এরপর তাদের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) আসলাম আলী জানান, গাঁজা সেবন করায় নন্দীগ্রামের সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুল মানিক ও ঝোপগাড়ি গ্রামের রানাকে থানায় আনা হয়েছিল। রাতেই মুচলেকা নিয়ে তাদের শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুল হাসানের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
কামরুল হাসান জানান, আবদুল মানিক নন্দীগ্রাম উপজেলা সমাজসেবার কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করায় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম খানের পক্ষে থানায় মুচলেকা দিয়ে ওই দুজনকে তিনি নিজ জিম্মায় নিয়ে আসেন।
আরও পড়ুন: ১৯ পুলিশ গ্রেফতার: সনদ জালকারী চক্রের হোতা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে
/এআর/