এরা হলেন, ক্রপ সায়েন্স বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ফাহাদুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোস্তাক আহমেদ, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মুরাদ, দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ইউসুফ আলী, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের মেহেদি হাসান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের রাজিবুল হাসান সৈকত এবং শের-ই-বাংলা হল মসজিদের ইমাম ছানাউল্লাহ।
এদের মধ্যে ইমামসহ পাঁচজনকে শনিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শের-ই-বাংলা হলে তল্লাশি চালিয়ে আটক করে পুলিশ। ওই দিন আরও ৮ জনকে আটক করা হলেও তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া সৈকতকে গত শুক্রবার রাতে শহীদ হবিবুর রহমান হল থেকে আটক করা হয়।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, গ্রেফতারকৃতরা সবাই ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাদেরকে নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
হত্যার আগে যেভাবে ছয় ‘খুনি’ অনুসরণ করে অভিজিৎকে (ভিডিও)
/বিটি/