মতিহার থানার ওসি হুমায়ন কবির জানান, নিহত শাহরিয়ার আলম কাব্যর মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। মা তসলিমা বেগমের মাথায়ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিশু সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার পর মা তসলিমা বেগমও আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তসলিমা কিছুটা মানসিক ভাবসাম্যহীন ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছে।
কাব্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল মডেল স্কুলের শিশু শ্রেণির ছাত্র। নিহত কাব্যের বাবা রফিকুল ইসলাম মেহেরচি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার একটি ওষুধের দোকানও আছে।
ওসি জানান, তসলিমাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। আর কাব্যর লাশ রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতিও চলছে।
আরও পড়ুন-
কুমিল্লায় প্রাইভেট কার খালে, শিশুসহ নিহত ৫
লুই কানের মূল নকশা পেলেই জিয়ার কবর অপসারণ
/এফএস/