বুধবার বিকালে গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুল আলম মুন্সি এই তথ্য জানান।
তিনি আরও জানান, মৃত কিশোরীর নাম তানজিলা খাতুন (১২)। সে উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের জেনারুল ইসলামের মেয়ে। বড় বোনের ধাওয়া খেয়ে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হওয়ায় পুলিশ তার বড় বোন শান্তা খাতুনকে আটক করেছে।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কিছুদিন আগে তানজিলার মা হেরোইনসহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। এরপর থেকে কিশোরী তানজিলা আঁচুয়া কসাইপাড়া গ্রামে তার দুলাভাই হারুন বাবুর বাড়িতে থাকতো। বুধবার সকালে ওই কিশোরী পাশের বাড়িতে ভারতীয় টিভি সিরিয়াল কিরণমালা দেখছিল। আর তার বড় বোন শান্তা খাতুন (২০) সাংসারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু তার শিশু সন্তান কোলে ওঠার জন্য কাঁদছিল। এ সময় তানজিলা বাড়িতে না থাকায় শান্তা তার ওপর ক্ষিপ্ত হন। পরে তিনি পাশের বাড়ি গিয়ে ছোট বোন তানজিলাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তানজিলা তার কাছ থেকে পালাতে গিয়ে ইটের ওপর পড়ে। এতে সে বুকে আঘাত পায়। এ সময় তানজিলাকে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিফজুল আলম মুন্সি বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। বড় বোন শান্তাকে আটক করা হয়েছে। লাশ মযনাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
/এআর/