সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আবদুল মোমিন বগুড়া সদরের শাখারিয়া গ্রামের টুকু মিয়ার ছেলে।
আহতরা হলেন-নির্মাণ শ্রমিক রিপন, আবদুর রউফ, জহুরুল ইসলাম, খোরশেদ, উজ্জ্বল, ফারুক ও রকি। তাদের বাড়ি বগুড়া সদর ও শিবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায়।
বগুড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা জানান, শহরতলির ঠেঙ্গামারা এলাকায় বেসরকারি সংস্থা টিএমএসএসের মালিকানাধীন রফাতুল্লাহ কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পেছনে ছাত্রী হোস্টেলের ৯ তলা ভবন নির্মাণ কাজ চলছে। সেখানে গাড়ির শেডের জন্য তৃতীয় তলায় বারান্দার জায়গা বাড়ানো হয়। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হঠাৎ ওই অংশ ধসে যায়। এতে চাপা পড়ে ঢালাই শ্রমিক মোমিন মারা যান।
খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ চালান। আহতদের উদ্ধার করে রফাতুল্লাহ কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ইউনুস আলী ও উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল হামিদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, গাড়ির শেডের জন্য তৃতীয় তলার বারান্দার বাড়ানো অংশ ধসে পড়ায় এক শ্রমিক নিহত এবং ৬-৭ জন আহত হয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান জানান, তিনি নির্মাণাধীন ভবনের শেড ধসে যাওয়ার কথা শুনেছেন। কিন্তু হতাহতের ব্যাপারে কিছু জানেন না। ধসের কারণ জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
/এআর/