এতে করে চাঞ্চল্যকর এই মামলার বিচার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। রাজশাহী কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক আবুল হাশেম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত রবিবার (০৬ নভেম্বর) দুপুরে আট জেএমবি সদস্যকে অভিযুক্ত করে ড. রেজাউল হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক রেজাউস সাদিক।
ড. রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে জেএমবি সদস্য খাইরুল ইসলাম বাধন, নজরুল ওরফে বাইক হাসান ও উসমান আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানে নিহত হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও মামলার এক নম্বর আসামি শরিফুল ইসলাম পলাতক আছে। অপর আসামি মাসকাওয়াত ওরফে আবদুল্লাহ, রিপন, আব্দুস সাত্তার ও রহমতুল্লাহ কারাগারে আছে।
রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক রেজাউস সাদিক জানান, দেশব্যাপী ব্লগার, মুক্তমনা, প্রগতিশীল ব্যক্তিদের টার্গেট কিলিংয়ের অংশ হিসেবে অধ্যাপক রেজাউল করিমকে হত্যা করে জঙ্গিরা। মামলার তদন্তে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
এছাড়া গ্রেফতারের পর চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে শিক্ষক রেজাউল হত্যার দায়ও স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আটজনকে এ ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আর পলাতক শরিফুলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল সকালে রাজশাহী মহানগরীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাসার অদূরে রাবি ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত শিক্ষকের ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ বাদী হয়ে ২৩ এপ্রিল বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেন। এই হত্যার বিচার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে রাবি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
/এআর/