জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, ছবি তোলা নিয়ে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে দুপুরে শহরে নবাববাড়ি সড়কে দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাস্তায় কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নেতাদের বক্তব্য শেষে জন্মদিনের কেক কাটা শুরু হলে ছবি তোলা নিয়ে হঠাৎ নেতাকর্মীদের মাঝে হাতাহাতি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষই মারমুখী হয়ে উঠে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জন্মদিতের কেকটি দ্রুত দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় কেক রাখার টেবিল ভাঙচুর করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা এসে ধাওয়া ও লাঠিচার্জ করে দু’পক্ষকে ছত্রছভঙ্গ করে। পুলিশ জেলা বিএনপি সভাপতি সাইফুল ইসলামকে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা আলী মুকুল ও যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পপন প্রমুখ।
জেলা বিএনপি সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, ‘জন্মদিনের কেক কাটার অনুষ্ঠানে কিছুই ঘটেনি, শুধু শুধু পুলিশ বাঁশি বাজিয়েছে।’
জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পপন জানান, ‘দুপুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সড়কে মঞ্চ করলে সদর থানার পুলিশ তা ভেঙে দেয়। এরপর পুলিশের অনুমতি নিয়ে সেখানেই কেক কাটার আয়োজন করা হয়। এ সময় ছবি তোলার জন্য জুনিয়র নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে অনুষ্ঠানের বিঘ্ন ঘটেনি।’
সদর পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই ফজলে এলাহী জানান, ‘ছবি তোলা নিয়ে নিজেদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
/এমডিপি/এসএনএইচ/