অভিযুক্ত আকিল দু’জন ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণের পর ধারণ করা ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামবাসী আকিলের বাড়িতে হামলায় চালালে আকিল পালিয়ে যায় বলে জানা যায়।
স্থানীয় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইয়াহিয়া উল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা জেনেছি শুধু দুজন ছাত্রী নয় আরও কিছু মেয়ে এ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ধর্ষকের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
মামলার ভিত্তিতে ত্বরিৎ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ওসি।
/এইচকে/