নিহতরা হলেন- বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি দক্ষিণপাড়ার আবদুল আলিমের ছেলে আশিক (২০), সদরের বড় ধাওয়াকোলা গ্রামের পরিমলের ছেলে তপু(২২), মহাস্থানের ঝিনুকের ছেলে আবদুর রহিম (১৭) ও সিএনজিচালক আবদুল গফুর (৩০)।
সদর থানার এসআই শাহজাহান আলী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাস্থান ছেড়ে আসা বগুড়া শহরগামী একটি সিএনজি অটোরিকশা মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরতলির বাঘোপাড়া এলাকায় চলাচল পাম্পের সামনে পৌঁছে। এসময় রংপুরগামী বিআরটিসির একটি বাস সিএনজিকে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তিন নৃত্যশিল্পী আশিক, আবদুর রহিম ও তপু মারা যান। এতে চালক আবদুল গফুরসহ দুজন আহত হন। এদের মধ্যে চালক গফুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তা দাবি, দুর্ঘটনায় শুধু তপু ও আশিক মারা গেছেন।
নিহত তপুর পরিবারের সদস্যরা জানান, হতাহতদের মধ্যে পাঁচজন নাচগান করতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যার বগুড়ার মহাস্থান থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা রিজার্ভ করে তারা শেরপুরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় চালকসহ চারজন নিহত হয়।
/এআর/