ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, গৃহবধুর গায়ে জখমের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আরজিনার বড় ভাই আবদুর রাজ্জাক ও ছেলে রাজু আহমেদ জানান, ধুনট উপজেলার বিশ্বহরিগাছা গ্রামের রেজাউল করিম প্রায় ১৮ বছর আগে পার্শ্ববর্তী বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের মেয়ে আর্জিনা খাতুনকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। রেজাউল বিয়ের পর থেকে কারণে-অকারণে আর্জিনার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বেশ কয়েকবার সমঝোতা বৈঠক হয়েছে।
তারা আরও জানান, গত কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। শুক্রবার রাতে রেজাউল করিমের পকেট থেকে ১০ টাকা হারিয়ে যায়। এ জন্য তিনি আর্জিনাকে দায়ী করলে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে আর্জিনাকে বেদম মারপিট করা হয়। শনিবার সকালে বাড়ির পাশে বাঁশঝাঁড়ে তার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়।
তাদের ধারণা, মারপিটে মারা গেলে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। একই মন্তব্য করেছেন, গৃহবধুর চাচা জালাল শেখ। শনিবার সকাল থেকে রেজাউলের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। নিহত গৃহবধু আর্জিনার শরীরে জখম রয়েছে। কারণ নিশ্চিত হতে লাশ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যু প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে ধুনট পুলিশ গৃহবধুর বড় ভাই আবদুর রাজ্জাকের কাছে অপমৃত্যুর মামলা নিয়েছে।
/এফএস/
আরও পড়ুন-