বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদ হোসেন এ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরীক্ষার হলে তাড়াতাড়ি খাতা নেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীরা হামলা ও ভাঙচুর করেছে।
জানা গেছে, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে থেকে ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৬৭ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া জিলা স্কুলের ২৬৬ জন পরীক্ষার্থী। ওই কেন্দ্রের পরীক্ষা হলে কড়াকড়ি আরোপ নিয়ে কয়েক দিনে ধরেই জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কক্ষ পরিদর্শকদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। রবিবার গণিত পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের আগে খাতা নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তোলে। এই অভিযোগে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকটি চেয়ার ও কক্ষের জানালা ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে জিলা স্কুলের শিক্ষক ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।
বগুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন জানান, রবিবার গণিত পরীক্ষার সময় পরীক্ষা হলে শিক্ষকরা নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। এতে জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়। পরীক্ষা শেষে হল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর স্কুল থেকে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী পুনরায় পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে বিক্ষোভসহ হুমকি দেয়। এরপর জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা ওই স্কুলের কয়েকটি চেয়ার ও কক্ষের জানালা ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়।
বগুড়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক রমজান আলী আকন্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, ‘তারা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদচারণ ও পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরপত্র কেড়ে নিয়েছেন। তবে কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি।
/এমডিপি/