এর আগে শিশুটির বাবা হাসান মাহমুদ প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- ভাটরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোরশেদুল বারী ও স্কুলের খণ্ডকালীন শিক্ষক আমজাদ হোসেন।
অভিযোগে জানা গেছে, নন্দীগ্রামের কুমিড়া পন্ডিতপুকুর গ্রামের হাসান মাহমুদ ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। তার ছেলে কাওসার একই স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার (হাসান) বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কাওসারকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও খণ্ডকালীন শিক্ষক আমজাদ হোসেন বেত দিয়ে কাওসারকে মারধর করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কাওসারের বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে তদন্ত করতে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ম্যানেজিং কমিটি প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও খণ্ডকালীন শিক্ষক আমজাদ হোসেনকে অব্যাহতি দেয়।
এরপর সোমবার (৬ মার্চ) হাসান মাহমুদ তার ছেলেকে নির্যাতনের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক জানান, তিন আসামির মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
/এআর/