সোমবার (৬ মার্চ) রাতে নিহতের ভাই ফেরদৌস হোসেন নয়ন শিবগঞ্জ থানায় এ মামলা করেন। পুলিশ মঙ্গলবার (৭ মার্চ) তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
এরা হলেন- শিবগঞ্জের সংসারদীঘি নামাপাড়া গ্রামের বেনু মালীর ছেলে উত্তম কুমার মালী, সংসারদীঘি গ্রামের সচিন দাসের ছেলে বিপ্লব দাস ও একই এলাকা সাবেক কনস্টেবল আবু শাহীন।
অন্যতম আসামিরা হলেন- বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর শ্যালক, হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি রায়নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু, বিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, স্কুলশিক্ষক তৈয়ব আলী প্রমুখ।
অভিযোগে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলার সংসারদীঘি গ্রামের পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। রবিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ইউপি চেয়ারম্যান রিজু ও মহিদুলের নেতৃত্বে তাদের লোকজন পুকুর পাড়ে আসে। তখন উপজেলা যুবলীগের সদস্য আশিক ও ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ফারুকের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ফারুক ও আশিককে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ফারুককে উদ্ধার করে শজিমেক ও আশিককে টিএমএসএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাতে ফারুক মারা যান।
এদিকে যুবলীগ সদস্য ফারুকে হত্যা ও আশিককে আহত করার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী সোমবার দুপুরে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে উপজেলা গেটের সামনে সমাবেশ করেন। রাতে নিহতের ভাই শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পুলিশ মঙ্গলবার তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে।
/এআর/