জামিনের পর গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে আসামি তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

জয়পুরহাটজামিনের পর নাশকতা মামলার চার আসামিকে জয়পুরহাট কারাগারের মূল ফটক থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গোয়েন্দা পুলিশে পরিচয়ে কয়েকজন তাদের মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন আসামিদের স্বজনরা। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত চারজনের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন তারা। তবে ওই চারজনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ। 

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- জয়পুরহাট সদর উপজেলার হাঁটুভাঙ্গা গ্রামের নিহাজ উদ্দিনের ছেলে শাহ আলম, মিটনা গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ, দন্ডপানি গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম ও মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মাসুদুল আলম। এদের মধ্যে আসামি শাহ আলমের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ, পুলিশকে মারপিট করে আসামি ছিনতাই, ভাঙচুরসহ সাতটি নাশকতার মামলা রয়েছে।

এই আসামিদের স্বজনরা জানান, জামিনের আদেশ হওয়ার পর গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে জামিন নিয়ে ওই চারজন বের হন। জেলগেট থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাদের তুলে নিয়ে যায়।

জয়পুরহাট গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, বিএনপি-জামায়াত জোটের টানা অবরোধ ও হরতালের সময় জয়পুরহাটে বিভিন্ন নাশকতার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতার মামলা থাকায় ওই চার আসামি গত বছরের ২৪ আগস্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান। জামিনপ্রাপ্ত আসামি নাহিদুল ইসলামের ছোট বোন নাহিদা সুলতানা জানান, জামিন পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে জেলখানা থেকে বের হওয়ার পর ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে তার ভাইসহ চারজনকে একটি কালো মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত তিন দিনেও তাদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

জয়পুরহাট পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান জানান, জেলগেট থেকে আসামি তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই।

/এফএস/ 

আরও পড়ুন- 


মাত্র তিন মিনিটে খুন হন আরিফা