সিরাজগঞ্জে আলোচিত ইব্রাহিম হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

আদালতসিরাজগঞ্জে আলোচিত ইব্রাহিম হত্যা মামলায় ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বিকালে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাফরোল হাসান এ রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিন আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রাম পাঙ্গাসী গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে শামীম (৩৫), সোরমান আলীর ছেলে রব্বানী (৩২), রহিজ প্রামানিকের ছেলে মিন্টু প্রমানিক (৩৩), একই উপজেলার মিরেরদেউল গ্রামের হযরত আলীর ছেলে কালাম (৩২), বগুড়া জেলার শেরপুর থানার হোসনেবাদ এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে দুদু প্রামানিক (৩০) ও জিয়াউর রহমান (২৮), একই এলাকার বিশা সেখের ছেলে আব্দুস সামাদ সেখ (৩২), শেফাত আলী প্রামানিকের ছেলে জহুরুল ইসলাম (২৫)। এদের মধ্যে শামীম (৩৫) পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় শেরপুর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় তিন ব্যক্তি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রাম পাঙ্গাসী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে এসে গুড়ের ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেয়। এ সময় তার জামাতা ইব্রাহিম খলিলের খোঁজ খবর নেয়। তারা ইব্রাহিমকে না পেয়ে চলে যায়। ৩০ নভেম্বর রাতে ওই ব্যক্তিরা আবার মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে এসে ফের ইব্রাহিমের খোঁজ খবর নেয়। এ সময় স্থানীয় শামীম, রব্বানী ও মিন্টু তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা ইব্রাহিম খলিলকে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায়। রাতে আর ইব্রাহিম বাড়িতে ফেরেননি। পরের দিন সকালে ইব্রাহিমকে হত্যা করে রায়গঞ্জ উপজেলার গ্রাম পাঙ্গাসী বাজারের আজাদ মজলিস ক্লাব এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর মোহাম্মদ আলী ১১জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে মঙ্গলবার আদালত এ রায় দেন।

/এফএস/

আরও পড়ুন- 



সময় মতো বাঁধ না হওয়ায় সুনামগঞ্জে ৭২ হাজার হেক্টর জমির ধান পানির নিচে