ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দাবি, মাঝে মধ্যেই নেশাদ্রব্য ধরিয়ে দিয়ে এভাবেই চাঁদার দাবিতে নির্যাতন করে থাকে পুলিশ। কিন্তু সব অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের দাবি, হার্ট অ্যাটাকে জালাল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে সোমবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোকলেছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এ সময় নিহতের পরিবারকে ঘটনা তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
জানা গেছে, রবিবার সকালে পার্শ্ববতী রানীনগর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে অসুস্থ মামা আসকানকে দেখতে আত্রাই উপজেলার দক্ষিণ পারকাসুন্দি গ্রামে গিয়েছিলেন জালাল হোসেন। পরিবারের দাবি, মাদকের মামলার অভিযোগ এনে ওইদিন গভীর রাতে ঘুম থেকে জালালকে ডেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে পুলিশ। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র আনতে বলে মামি জোসনা বানুকে। জোসনা বানু অন্য ঘরে জাতীয় পরিচয়পত্র আনতে গেলে এরই এক ফাকে জালালকে কোনও কারণ ছাড়াই মারধর শুরু করে পুলিশ। এরপর তার চিৎকার শুনে জোসনা বানু ঘরে এসে দেখে জালালকে মেরে মেঝেতে শুয়ে রাখা হয়েছে। পরে জোসনা বেগম চিৎকার শুরু করলে গ্রামবাসীরা এগিয়ে আসে।
গ্রামবাসীরা বলেন, জালালের বুকে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাদের দাবি, অতীতের কোনও মামলা বা মাদকের অভিযোগ নেই ওই পরিবারটির বিরুদ্ধে।
তবে আত্রাই থানার ওসি বদরুদ্দোজা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিল। ওই যুবক পুলিশি নির্যাতনে নয়, মারা গেছেন আর্ট অ্যাটাকে। এ ঘটনায় থানায় কোনও মামলা হয়নি বলেও জানান ওসি।
/এআর/