জেলা পুলিশ সুপার মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট কাজ শেষ করেছে। ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা কাজ করছেন। তারা আলামত সংগ্রহ করছেন। সেখানে এরই মধ্যে একটি ভেস্ট ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেছে।’
তিনি আরও জানান, বাকি তিন জঙ্গির পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে তাদের ছবি ঢাকা সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমতি পেলেই ছবি প্রকাশ করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান বলেন, ‘ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা কাজ করছেন। তাদের কাজ শেষ হলে লাশ উদ্ধার করা হবে।’
এদিকে, বাড়িটি চারদিক থেকে এখনও ঘিরে রেখেছে পুলিশ। এলাকাবাসী এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও বাড়ির কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। বাড়ির কাছাকাছি দুটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত,জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের শিবনগর এলাকার একটি বাড়ি বুধবার (২৬ এপ্রিল) ঘিরে রাখে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা। বিকালে ঢাকা থেকে সোয়াট টিম পৌঁছানোর পর শুরু হয় অভিযান। এরপর বৃহস্পতিবার অভিযান চলাকালে সন্ধ্যায় আত্মঘাতী হয় চার জঙ্গি।
এছাড়া বৃহস্পতিবার বিকালে ওই জঙ্গিবাড়ি থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয় আবুর স্ত্রী সুমাইয়া ও মেয়ে সাজিদাকে। তিন মাসের অন্তসঃত্ত্বা সুমাইয়ার পায়ে গুলি লাগায় রাতে তাকে জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
/বিএল/
আরও পড়ুন:
‘আমরা বাচ্চা নেবো, কিন্তু লাশের ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না’