মূর্তিটি উদ্ধার করা হলেও ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই পালিয়ে গেছে বলে জানায় র্যাব। এ বিষয়ে র্যাবের পক্ষ থেকে শেরপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মূর্তি উদ্ধারের পর র্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্প কমান্ডার মেজর এসএম মোর্শেদ হাসান মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে করেন। ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালান্দা গ্রামের পশ্চিম পাশের পুকুর পাড়ে একটি টিনশেড ঘরে কষ্টি পাথরের মূর্তি কেনাবেচা চলছিল। এমন খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ক্রেতা-বিক্রেতারা মূর্তি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে অনুসন্ধান চালালেও মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
/এসএমএ/এফএস/
আরও পড়ুন-
নদীভিত্তিক পর্যটনে গতি আসবে অর্থনীতিতে