নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, ‘বুধবার দুপুর থেকে ভাঙনে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় ৫০মিটার বিলীন হয়েছে। প্রায় দেড় কিলোমিটার বাঁধ ঝুকিপূর্ণ। আপাতত বালির বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। খুব শিগগিরই বিকল্প বাঁধ না দিলে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে। বরাদ্দ না থাকায় আমরা অসহায়।’
পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত এক ১০/১২ দিন থেকেই টুটুলের মোড়ের ভাটিতে বস্তা ফেলায় পানির স্রোত ধাক্কা খেয়ে এখানে আকস্মিক ভাঙন সৃষ্টি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।'
/এএ/