কবির কুঠিবাড়ি, দেবেন্দ্রমঞ্চ, কুঠিবাড়ি চত্বর, জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, কবির হাতে গড়া রথীন্দ্রনাথ ইনস্টিটিউট, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, রবীন্দ্র সাহিত্য পরিষদসহ পুরো পতিসর এলাকা অন্যান্যবারের তুলনায় এবার নতুনভাবে সাজছে। কেননা এবার পতিসরে কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ আসছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই এবারের সাজটিও অতীতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বাবার কালিগ্রাম পরগনা জমিদারি স্টেট দেখাশোনার জন্য সর্বপ্রথম ১৮৯৯ সালে আত্রাইয়ের পতিসরে যান। তিনি ওইসময় থেকেই এলাকার কৃষকদের নিয়ে ভাবতেন এবং কৃষকের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিভিন্ন সময় তিনি বেশ কয়েকবার এই পতিসরে যান।
আত্রাইঘাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে সেসময়ের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নিভৃতপল্লী নাগর তীরের পতিসরে কবিগুরু নৌপথে যেতেন। তার ব্যবহৃত বোটটি এখনও সংরক্ষিত রয়েছে কাছারি বাড়িতে।
তিনি আরও বলেন, কবির আগমন ছিল এলাকাবাসীর জন্য আশির্বাদ। কবির আগমনে পতিসর আজ ধন্য। তারই স্মৃতি হিসেবে এখানে গড়ে উঠেছে অনেক স্থাপনা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কবির বিভিন্ন স্মৃতি সংগ্রহ করে পতিসরে তা সংরক্ষণের প্রয়াস চালাচ্ছি। ইতোমধ্যেই কবির কাছারিবাড়ি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর নিয়ন্ত্রণে নেওয়ায় সংগ্রহ আরও বেড়েছে।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও পতিসরে ২৫ বৈশাখ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হবে। যেহেতু এবারের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আসছেন তাই অনুষ্ঠানটি হবে অত্যন্ত প্রাণবন্ত। ইতোমধ্যেই রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য সেখানে অস্থায়ী হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে। আমরা সব রকমের প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়েছি।
/বিএল/