গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ওইদিন রাতেই নিহতের বাবা আসলাম হোসেন আদমদীঘি থানায় প্রতিবেশি তিন নারীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেছিলেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সান্তাহার ইয়ার্ড কলোনির রাজমিস্ত্রি রুবেল হোসেনের স্ত্রী দুই সন্তানের মা আশাকে প্রতিবেশি বেলী বেগম, মিনারা ও মিনা তুচ্ছ ঘটনায় গালিগালাজ করেন। এছাড়া তার চরিত্র নিয়ে খারাপ মন্তব্য করা হয়। এতে গৃহবধূ আশা ক্ষুব্ধ হন। ক্ষোভ ও অভিমানে রবিবার সন্ধ্যার দিকে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা পুলিশ রাতেই আশার লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তার বাবা থানায় তিন প্রতিবেশি নারীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত কবীর জানান, আত্মহত্যাকারী ও প্ররোচনাকারী নারীদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। গৃহবধূ আশা প্রচণ্ড জেদি ছিলেন। প্রথমে হারপিক পান করেন, এতে মৃত্যু না হওয়ায় পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তার বাবার করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সোমবার বেলী বেগম নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
/এমও/