শিপন উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। সে বাগবাড়ির শহিদুল-বুলবুল কারিগরি কলেজের কৃষি ডিপ্লোমার স্টুডেন্ট ছিল।
এর আগে দুই দুল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে বুধবার বিকালে পাইকোশা গ্রামের দানেজ আলীর ছেলে ফরিদুল ইসলামকে (২৫) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত দুজন মারা গেল। আহত হয়েছে কমপক্ষে অর্ধশত জন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কামারখন্দ উপজেলার পাইকোশা ও বাগবাড়ি গ্রামের কতিপয় সরকার দলীয় লোকজনের মধ্যে ঈদের আগে টাকা-পয়সার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ হয়। এরই জেরে বুধবার দুপুরে দুই গ্রামের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। বিষয়টি প্রথমে দলীয় হলেও পরে উভয় গ্রামের সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরে উভয় গ্রামবাসী লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে ফরিদুল ও শিপনসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। পরে ফরিদুলের নিহত হওয়ার খবর শুনে পাইকোশা গ্রামের বিক্ষুব্ধ লোকজন বুধবার রাতে বাগবাড়ি গ্রামে ঢুকে রাতভর তাণ্ডব চালায়। ডজন খানেক বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করলেও পুলিশ তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
সংঘর্ষের ঘটনায় পাইকোশার গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বুধবার রাতে মামলা হয়েছে। পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে ১০/১২ জনকে গ্রেফতার করেছে।
/এআর/