এছাড়া আদালত ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে প্রেরণ ও সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ সুপারকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। ছাত্রী জবানবন্দিতে কী বলেছেন তা জানা যায়নি।
এর আগে শিশু আদালতের বিচারক এমদাদুল হক তার জবানবন্দি গ্রহণের অনুমতি দেন।
শিশু আদালতের স্পেশাল পিপি মো. আমানুল্লাহ জানান, মঙ্গলবার বিকালে নির্যাতিত ওই ছাত্রীকে হাজির করা হয়। বিচারক এমদাদুল হক তার জবানবন্দি গ্রহণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আবার তাকে শিশু আদালতে হাজির করলে নিরাপত্তা প্রদানের আবেদন করা হয়। আদালত অসুস্থ ছাত্রীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ ও তার চিকিৎসার পাশাপাশি পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বগুড়ার এক কিশোরীকে কলেজে ভর্তি করানোর নামে গত ১৭ জুলাই তাকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে শ্রমিক লীগের বহিষ্কৃত নেতা তুফান সরকারের বিরুদ্ধে। এদিকে, ঘটনা জানতে পেরে তুফানের স্ত্রী আশা স্বামীকে দায়ী না করে ঘটনার জন্য কিশোরীটিকেই দায়ী করে। এরপর আশা তার বোন সংরক্ষিত আসনের স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার মার্জিয়া হাসান রুমকির মাধ্যমে ২৮ জুলাই ক্যাডার দিয়ে নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী ও তার মাকে তাদের বাদুড়তলার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়। পরে নাপিত ডেকে তাদের ন্যাড়া করিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে ভর্তি করালে সেই রাতেই তুফানসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৯ জুলাই তুফানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী। এ ঘটনার পর ৩০ জুলাই তুফানকে শ্রমিকলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক ছিলেন।
/বিএল/
আরও পড়ুন: