অভিযুক্তরা হলেন, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স (ইউআইটিএস) এর রাজশাহী শাখার সাবেক শিক্ষক সামশুল আলম বাদশা ও তার বন্ধু রাজশাহীর গোরহাঙ্গা এলাকার ইজিটাস কম্পিউটার দোকানের মালিক আবু ফায়েজ নাহিদ। বাদশার বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মচমইল গ্রামে এবং নাহিদের বাড়ি একই উপজেলার হাসনিপুর গ্রামে। তারা দুইজনই রাজশাহী শহরের বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ পাস করে চাকরির চেষ্টা করছিলেন তিনি। বাদশার সঙ্গে তার ফেসবুকে পরিচয় হয়।
পুলিশ জানায়, ফেসবুকে পরিচয়ের পর ওই তরুণীকে রাজশাহীতে দেখা করতে ডাকেন সাবেক শিক্ষক বাদশা। সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীতে আসেন ওই তরুণী। বাদশা ওই তরুণীকে রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকার গ্রিন গার্ডেন নামে একটি রেস্ট হাউজে নিয়ে যান। এরপর বাদশা ও তার বন্ধু নাহিদ তরুণীকে ধর্ষণ করেন। পরে ওই তরুণী পালিয়ে থানায় যান। পুলিশের কাছে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই ওই রেস্ট হাউজ থেকে বাদশা ও নাহিদকে গ্রেফতার করা হয়।
নগরীর শাহমখদুম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন তুহিন জানান, আজ বুধবার (২ আগস্ট) আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এরপর বিকালে আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, ডাক্তারি পরীক্ষায় তরুণীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার সামশুল আলম বাদশা ও আবু ফায়েজ নাহিদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।
/বিএল/