কাউন্সিলর রুমকির দায় নিতে রাজি নয় আ.লীগ-বিএনপি

নারী নির্যাতন মামলায় রিমান্ডে থাকা বগুড়া পৌরসভার ২ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মারজিয়া হাসান রুমকির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, রুমকি বিএনপির রাজনীতি করে, আর বিএনপি নেতাদের কথা, সে বিএনপির কেউ নয়।

নির্যাতিতা কিশোরী ও তার মাকে ন্যাড়া করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিতবে রুমকির নিকটজনরা বলছেন, ‘রুমকি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছে। সে বর্তমানে ৫ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা লীগের যুগ্ম সম্পাদক।’

এ প্রসঙ্গে শহর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রফি নেওয়াজ খান রবিন জানান, ‘বিএনপির মনোনয়নে রুমকি পৌর কাউন্সিলর হয়েছে। সে কখনও আওয়ামী লীগে যোগদান করেনি। তার বাবা রুনু বিএনপি করেন এবং মামা জয়নাল আবেদন চাঁন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনুও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।

তবে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন বলেন, ‘রুমকি বিএনপির কেউ নয়। এমনকি সে আমার ভাগ্নিও নয়। এসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, বগুড়ায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও মাসহ তার মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি কাউন্সিলর মারজিয়া হাসান রুমকি। রাজিয়া হাসান রুমকি বগুড়া পৌরসভার ২নং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর। রুমকি ঘটনার মূল হোতা ও মামলার প্রধান আসামি বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকারের স্ত্রী আশা খাতুনের বড় বোন।

/এমও/