মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, রবিবার বিকালে ধর্ষণ মামলায় তুফান সরকার ও রুমকিকে আদালতে হাজির করে ৫ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়। এটা তুফানের চতুর্থ দফা ও রুমকির দ্বিতীয় দফা ছিল। ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি শেষে তাদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। তিনি তাদের আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া আসামিদের পক্ষে আবদুল মান্নাফ নামে এক আইনজীবী জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তার আবেদনও নামঞ্জুর করেছেন। পরে তুফান ও রুমকিকে জেলে পাঠানো হয়েছে। সোমবার জেলগেটে তুফান, রুমকি, আশা ও রুমিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যাবেন বলেও জানান ওসি।
তিনি আরও জানান, তুফান ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং রুমকি তাকে নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন। তাদের সঙ্গীদের নাম ও অন্যান্য তথ্য বের করতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। ইতিমধ্যে গ্রেফতার ১১ জনের মধ্যে আসামি আতিক, মুন্না ও নাপিত জীবন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না: এদিকে বগুড়া জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম দুপুরে আদালত এলাকায় ছাত্রী ধর্ষণ ও নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধন থেকে সংগঠনের সভাপতি মোখলেছুর রহমান বলেন, নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে তারা বিনা খরচে আইনগত সহযোগিতা দিবেন। এছাড়া তারা কেউ আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন না।
/বিএল/