ঘটনাটি প্রথমে বেলকুচি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজা ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে তা অন্যান্য নেতাকর্মীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে ইউপি চেয়ারম্যান লাজুক বিশ্বাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত কামালের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করেন। এসময় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। পরে রেজার সমর্থকরা লাজুক বিশ্বাসের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের ঘটনা ঘটার আগেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বেলকুচি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজা বলেন, ‘উপজেলা যুবলীগ কার্যালয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিদ মণ্ডলের করা ত্রাণের স্লিপ বণ্টন করার বিষয়টি লাজুক বিশ্বাসের পছন্দ না হওয়ায় তিনি আমাদের অফিসে এসে উচ্চবাচ্য ও দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। একপর্যায়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা একজোট হয়ে তার দিকে ছুটে গেলে তিনি সটকে পড়েন।’
এ বিষয়ে লাজুক বিশ্বাসের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার মা বেলকুচির পৌর বেগম আশানুর বিশ্বাস বলেন, ‘যুবলীগ নেতা রেজা সামান্য বিষয় নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সবসময় বাজে আচরণ করেন। সিনিয়রদের সঙ্গে সে বেয়াদবি করেন। রেজা উপজেলা স্বেচ্চাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেনের সঙ্গে অশোভন আচরণ করায় বিষয়ে আমার ছেলে লাজুক বিশ্বাস প্রতিবাদ করলে তার সঙ্গে বাজে আচরণ করে রেজা।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক সরকার বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক।
বেলকুচি থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ত্রানের স্লিপ বন্টনের বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনওপক্ষই রাত ৯টা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দেননি।’