বাফার গুদামের ছয় কোটি টাকার সার আত্মসাৎ, তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

দুদকবগুড়ার সান্তাহারের বাফার স্টক গুদামের প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কালোবাজারে বিক্রি করে আত্মসাতের অভিযোগে বিসিআইসির সাবেক ২ কর্মকর্তাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে আদমদীঘি থানায় এ মামলা করেন। এ ঘটনায় তিনি এক আসামিকে গ্রেফতার করেছেন। আদমদীঘি থানার ওসি শওকত কবির দুদকের এ মামলার তথ্য জানিয়েছেন।

আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) যান্ত্রিক বিভাগের উপ-প্রধান প্রকৌশলী ও সান্তাহার বাফার স্টক গুদামের সাবেক ইনচার্জ নওগাঁর রানীনগর উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের নবির উদ্দিন খান, গুদামের সাবেক সহকারী হিসাব কর্মকর্তা বগুড়া শহরের মালগ্রাম জিলাদারপাড়ার মাসুদুর রহমান এবং সার পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাউথ ডেল্টা শিপিং অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানীর নির্বাহী পরিচালক গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মশিউর রহমান। মামলার পর সান্তাহার থেকে আসামি মশিউরকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনক জানান, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে গত ২০১৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ওই বছরের ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত সান্তাহার বাফার স্টক গুদাম থেকে কাগজে-কলমে ৩ হাজার ৮৮৯ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া গ্রহণ ও হস্তান্তর দেখান। তারা সারগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেন। প্রতি মেট্রিক টন সারের সরকারি মূল্য ১৪ হাজার টাকা হিসাবে তারা ৫ কোটি ৯৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাৎ করেন। তদন্তে আত্মসাতের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর সোমবার দুপুরে তিনি আদমদীঘি থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে সান্তাহার থেকে এজাহারভুক্ত আসামি মশিউরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়।