পুলিশের মারধরে ব্যবসায়ী নিহত: চার পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

পুলিশের মারধরে নিহত ব্যবসায়ী সাইদুর রহমানজয়পুরহাটের কালাইয়ে পুলিশের মারধরে ব্যবসায়ী নিহতের ঘটনায় অবশেষে মামলা হয়েছে। ঘটনার দুইদিন পর আজ বুধবার (১১ অক্টোবর) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহত ব্যবসায়ী সাইদুর রহমানের বাবা কাজেম আলী। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য কালাই থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আইনজীবী উজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

মামলার আসামিরা হলেন কালাই থানার এসআই আসাদ, এসআই রফিক, কনস্টেবল রাসেদুল ও ফারুক।  তাদেরকে ঘটনার দিনই সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে।

নিহতের বাবা কাজেম আলী বলেন, ‘গত সোমবার ভোরে আসামি ধরতে গিয়ে আমার ছেলে সাইদুর রহমানকে পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করে। ওই দিন রাতে চার পুলিশের বিরুদ্ধে কালাই থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আজ আদালতে মামলা করেছি।’

মামলার আইনজীবী উজ্জল হোসেন জানান,ওই ঘটনায় চার পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য কালাই থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। 

জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন বলেন,অনাকাঙ্ক্ষিত ওই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধাদান ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়া, নিহতের ঘটনা সবকিছু তদন্তে পৃথক তিনটি কমিটি কাজ করছে। এসব কমিটির রিপোর্ট দাখিল হলে যারা দোষী হবেন তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৯ অক্টোবর) ভোরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার পলাতক আসামি শাপলা হোসেনকে তার বাড়ি হারুঞ্জা গ্রামে ধরতে গিয়ে চাচা সাইদুর রহমান পুলিশের মারধরে মারা যান। ঘটনার দিন রাতে নিহতের বাবা কালাই থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।

এ সংক্রান্ত আগের খবর: