তবে ছাত্রলীগের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই ক্যাম্পাসে মিছিল করা হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।
সোমবার দুপুরে দলীয় টেন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে টুকিটাকি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ভয়ে এদিক ওদিক ছুটাছুটি শুরু করে। ফলে বিভিন্ন রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির পক্ষ থেকে মিছিল না করার জন্য বারবার নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মুঠোফোনেও বলা হয়েছে। কিন্তু তারা কিছুই মানছে না।’
তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু পরীক্ষা চলছে, এখনই কিছু বললে পরিবেশটা আরও খারাপ হবে। তবে আমরা পরবর্তীতে মিটিং করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবো।’
এর আগে একইভাবে গত শনিবার রাতে প্রত্যেক হলে মিছিল এবং গভীর রাতে রড, লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন হলের নেতাকর্মীরা বিনোদপুর এসে ছাত্রদলের ব্যানারে আগুন দেয় এবং ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদেরকে ধাওয়া দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরদিন রবিবার দুপুরেও পরীক্ষা চলাকালে ক্যাম্পাসে মিছিল করেন নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৩০ অক্টোবর ক্যাম্পাসে সব ধরনের মিছিল-মিটিং, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আরও পড়ুন:
দিয়াজের মৃত্যু: হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ আদালতের