সিরাজগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নিহত ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মালেক

সিরাজগঞ্জ জেলা শহরে ছাত্রলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে শহরের ইলিয়ট ব্রিজের সামনে ২নং খলিফা পট্টিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ছয় জনকে আটক করেছে পুলিশ। সদর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আব্দুল মালেক (২৮) শহরের দত্তবাড়ি মহল্লার সানোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি সদ্য বিলুপ্ত পৌর ছাত্রলীগ কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

এ ঘটনায় আটক ছয় জন হলেন, ৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জানপুর মহল্লার আহম্মদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (২৮), একই এলাকার শাহ আলমের ছেলে সোহেল রানা (১৯), আমির হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন (১৯), মহর আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম (২৫), রানীগ্রাম মহল্লার মাহবুব আলীর ছেলে মোর্শেদ (১৯) ও কুশাহাটা কড়িতলার মৃত ওসমান আলীর ছেলে মনোয়ার হোসেন (৫৫)।

সদর থানার ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, শহরের ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জানপুর মহল্লার আহম্মদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম নিহত মালেকের বড় ভাই আবু মুসার কাছে বেশ কিছু টাকা পান। টাকাটা সুধে নেওয়া, নাকি ধার নেওয়া তা এখনো জানা যায়নি। রবিবার দুপুরে মুসাকে মুজিব সড়কের কানু জুয়েলার্সে দেখে নজরুল সেখানে হাজির হয়ে ধারের টাকা পরিশোধের জন্য তাগিদ দেন। এ নিয়ে মুসা ও নজরুলের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। এ কথা শুনে উভয়ে পক্ষের স্বজন ও সমর্থকরা কানু জুয়েলার্সের পাশে খলিফা পট্টিতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় মাথায় ও পেটে ধারালো অস্ত্রের উপুর্যুপরি আঘাতে মালেক গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এঘটনায় শহরের জানপুর ও দত্তবাড়ি মহল্লায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশ ছয় জনকে আটক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ওসি আরও বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মালেকের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিকেল সোয়া ৪টা পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি। 

 আরও পড়তে পারেন: পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় সাত জন নিহত ৩৫ জন আহত