শুক্রবার সকালে বিদ্যালয় চত্বরে বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এর আগে সকাল সোয়া ৯টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের শুরু হয়। বিকালে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শনিবার উৎসবের দ্বিতীয় দিনে গম্ভীরা, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ এবং অতিথি শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবে সাবেক ও বর্তমান প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।
এদেরই একজন রাবেয়া হোসেন রনি। তিনি বলেন, ‘সংসার নিয়ে ঢাকায় ব্যস্ত থাকতে হয়। এতে অনেকের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ হয় না। তবে এই অনুষ্ঠানে এসে অনেক পুরাতন সহপাঠীর দেখা পেলাম। খুবই ভালো লাগছে।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশ ও জাতি গড়তে শিক্ষার বিকল্প নেই। এই এলাকায় মেয়েদের শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হেলেনাবাদ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ভূমিকা অন্যতম। এই স্কুলে পড়াশুনা করা অনেকেই ভালো অবস্থানে আছেন। পাশিপাশি তারা দেশ ও জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে বিদ্যালয়টি ভূমিকা পালন করে যাবে।
১৯৬৭ সালে রাজশাহী নগরের হেলেনাবাদে মডেল স্কুল হিসেবে সরকার স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ১৯৬৮ সালে নবম, ১৯৬৯ সালে দশম শ্রেণি খোলা হয় এবং ১৯৭০ সালে এই স্কুলের ছাত্রীরা প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।