মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে লাশ উদ্ধার করে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আসামি করে বেলকুচি থানায় হত্যা মামলা করেছেন শিশুটির বাবা তাঁত শ্রমিক জহুরুল ইসলাম।
বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে চায়না খাতুনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি স্বজনরা।
যমুনার ক্যানেলে চায়নার মরদেহ দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘শিশুটিকে গলাকেটে হত্যার পর যমুনার ক্যানেলে ফেলে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পাশপাশি শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষার জন্য প্রতিবেদন চাওয়া হবে।’