আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি জব্দ করলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন।
নিহতরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জের হরিরামপুর গ্রামের ভোলা মিয়ার ছেলে ভাটা শ্রমিক আবদুল জোব্বার (৫৫), রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার দক্ষিণ মৌবালা গ্রামের বদিয়ার রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫০), একই জেলার পীরগাছা উপজেলার জগোজীবন গ্রামের বঙ্কুরামের ছেলে রামকৃষ্ণ কান্তেশ্বর (৩৮) ও কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দড়িকিশোরপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে আশরাফুল আলম (৩৫)।
আহতদের মধ্যে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই জন হলেন- কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ঘোড়াই বিহার গ্রামের আনসার রহমানের ছেলে আবুল কালাম (২৪) ও একই জেলার ভুরুঙ্গামারীর পাইডাঙ্গা গ্রামে মৃত আবদুল হামিদের ছেলে আজিবুল ইসলাম (৩২)।
বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার ওসি শাহীদ মাহমুদ খান ও হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আবুল বাশার জানান, নরসিংদী ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামগামী সাদ্দাম পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪৭৩৭) বুধবার সকাল ৬টা ৫ মিনিটে বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলার বিহারপুর এলাকায় মহাসড়কে পৌঁছে। এ সময় পথচারী ভাটা শ্রমিক আবদুল জোব্বারকে বাঁচাতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। তখন বাসটি মহাসড়কের পাশে একটি গাছের মধ্যে ঢুকে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পথচারী জোব্বার, বাসযাত্রী রামকৃষ্ণ ও আশরাফুল মারা যান। আহত ১৩ জনকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল ও গোবিন্দগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গৃহবধূ মনোয়ারা গোবিন্দগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তির পর মারা যান। হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হতাহতদের উদ্ধার করেন। হাইওয়ে পুলিশ বগুড়া অঞ্চলের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোজ্জাম্মেল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।