শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিমল কুমার কুণ্ডুর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত ওই প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম খান রানা, শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান শফি, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান পিন্টু, সাংবাদিক হাসানুজ্জামান তুহিন, সাংবাদিক আবুল কাশেম সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি জাফর লিটনসহ অনেকই সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিমুলের সহকর্মী ও স্বজনরা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (এসিল্যান্ড) হাসিব সরকারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ১৪ জানুয়ারি জেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় এটি উত্থাপন এবং পরবর্তীতে আইন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য জেলা কমিটিরি সুপারিশসহ পাঠানোর জন্যও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি অপহৃত ছাত্রলীগ নেতা বিজয় মাহমুদকে উদ্ধার করার ঘটনায় শাহজাদপুর পৌর শহরের মনিরামপুরে মেয়র মিরু ও তার ভাইদের সঙ্গে স্থানীয় সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে পেশাগত দায়িত্বপালন করতে গিয়ে সাংবাদিক শিমুল গুলিবিদ্ধ হন। পরদিন বগুড়া থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিমুলের স্ত্রী মেয়র মিরু ও মিন্টুসহ জ্ঞাত-অজ্ঞাত মিলে ৪০/৪২ জনের নামে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে, ছাত্রলীগ নেতা বিজয়ের চাচা এরশাদ আলী মেয়রের ভাই মিন্টু ও পিন্টুসহ ২০/২৫ জনের নামে আরেকটি মামলা করেন। সাংবাদিক শিমুল হত্যাকাণ্ডের ৩৫ দিন পর মিন্টুর অবৈধ পাইপগান উদ্ধার হলে পুলিশ নিজেই বাদী হয়ে মিন্টুকে একক আসামি করে অস্ত্র আইনে তৃতীয় মামলাটি দায়ের করে।