মামলায় ফিরোজা বেগমের বড় ছেলে ফারাজ তার মেয়ে লোপা এবং মেয়ে রেবেকা ও তার ছেলে রিয়াদকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজা বেগম রাঘবপুর গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিনের স্ত্রী। তিনি ছোট ছেলে ফসির উদ্দিনকে ২৫ শতক ও তিন মেয়েকে ৯ শতক করে জমি লেখে দেন। বড় ছেলে ফারাজকে মা তার জমির কোনও অংশ দেননি। এর মধ্যে দুই বোন তাদের অংশ ছোট ভাই ফসির উদ্দিনকে দিয়ে দেন। এ ঘটনায় মেয়ে রেবেকা ও বড় ছেলে ফারাজের সঙ্গে মা ফিরোজার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে শালিস হলেও মীমাংসা না হওয়ায় মা ও ছেলে-মেয়ের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত থাকে।
মামলায় বলা হয়েছে, শনিবার (০৬ জানুয়ারি) বিকালে ফিরোজা বেগম ঘাস খাওয়ানোর জন্য গরু নিয়ে জমিতে যান। তখন তার বড় ছেলে ফারাজ ও তার মেয়ে লোপা এবং মেয়ে রেবেকা ও তার ছেলে রিয়াদ ফিরোজা বেগমকে ধাক্কা মেরে জমিতে ফেলে মারধর করেন। এতে ফিরোজা বেগম গুরুতর আহত হলে ছোট ছেলে ফসির ও এলাকাবাসী তাকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান।
ছোট ছেলে ফসির উদ্দিন বলেন, ‘জমি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমার ভাই-বোন ও তাদের ছেলে-মেয়েরা পিটিয়ে মাকে হত্যা করেছে। আমি এর নায্য বিচার চাই।’